৪ নভেম্বর ২০২৬, বুধবার

Jalalabad Today

VOICE OF THE VALLEY

ব্রেকিং

সিলেটে উড়ালসড়ক প্রকল্পের কাজ শুরু, স্বস্তিতে নগরবাসী ● রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বগতি, স্বস্তি ফিরছে অর্থনীতিতে ● আগামী সপ্তাহে শুরু হচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন সিরিজ ● ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুরু হয়েছে সচেতনতামূলক কর্মসূচি

অপরাধ সিলেট সীমান্ত সংবাদ

তামাবিল-জাফলংয়ে শাহপরাণের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি ও পাথর লুটের অভিযোগ

সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর ও জাফলং এলাকায় রফিকুল ইসলাম শাহপরাণের বিরুদ্ধে কাস্টমস প্রক্রিয়া এড়িয়ে ট্রাক পারাপার, গেট পাসের নামে অর্থ আদায় এবং পাথর-বালু লুটের অভিযোগ উঠেছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিবেদনে এসব অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। শাহপরাণ সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কাস্টমসের ছাড়পত্র ছাড়া ১৪টি পণ্যবাহী ট্রাক বা কনটেইনার বের হয়ে গেছে এবং এসব ঘটনায় ১৬ কোটি ১০ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে। তবে এই হিসাবের পক্ষে কাস্টমসের কোনো সরকারি নথি বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া ভারত থেকে কয়লা ও চুনাপাথরসহ আমদানি করা পণ্যবাহী প্রতিদিনের প্রায় ২০০ থেকে ২৫০টি ট্রাকের কাছ থেকে প্রতি ট্রাকে ৯৫০ টাকা করে গেট পাসের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগও এসেছে। এসব অর্থ আদায়ের সঙ্গে শাহপরাণের সম্পৃক্ততার অভিযোগ করা হলেও তার ব্যক্তিগতভাবে অর্থ আদায়ের সরকারি প্রমাণ প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।

জাফলংয়ের পাথর ও বালু লুটের ঘটনায় পরিবেশ অধিদপ্তর ২০২৪ সালের অক্টোবরে দুটি মামলা করে। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ওই দুই মামলায় মোট ১১৪ জনকে আসামি করা হয় এবং রফিকুল ইসলাম শাহপরাণ ও শাহ আলম স্বপনের নামও মামলায় ছিল।

ওই মামলাগুলো ৫ আগস্টের পর জাফলংয়ে পাথর ও বালু লুটের অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। ২০২৪ সালের প্রতিবেদনে জাফলং থেকে লুট হওয়া পাথরের মূল্য শতকোটি টাকা বলে অভিযোগের কথা প্রকাশিত হয়েছিল। এই অঙ্কটি পাথর লুটের আনুমানিক মূল্য হিসেবে এসেছে, রাজস্ব ফাঁকির সরকারি হিসাব হিসেবে নয়।

সম্প্রতি শাহপরাণ সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন। তামাবিলের গেট পাস ও কাস্টমস-সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্যও বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।

এদিকে শাহপরাণের বর্তমান আইনগত অবস্থাও আলোচনায় এসেছে। কিছু স্থানীয় প্রতিবেদনে তাকে ‘ওয়ারেন্টভুক্ত’ বলা হলেও প্রকাশ্য আদালতের আদেশ, পরোয়ানার কপি বা জামিনের নথি পাওয়া না গেলে বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তাই তার বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর আছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট আদালত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথি থেকে যাচাই করা প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *