শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সৈয়দ মুজতবা আলী হলে আবারও শিক্ষার্থীদের শুকাতে দেওয়া কাপড় কেটে নষ্ট করার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে শার্ট, প্যান্ট ও টি-শার্টসহ প্রায় ১৫টি কাপড় কেটে ফেলে রাখা হয় বলে জানিয়েছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। শনিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে বারান্দায় নিজেদের পোশাক কাটা অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো শনাক্ত হয়নি।
একই হলে এর আগেও কাপড় কাটার ঘটনা ঘটেছিল। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, গত ২২ আগস্ট হলের তৃতীয় তলার বারান্দায় শুকাতে দেওয়া ১০ থেকে ১২ জন আবাসিক শিক্ষার্থীর শার্ট, প্যান্ট, টি-শার্ট ও লুঙ্গিসহ বিভিন্ন পোশাক কেটে নষ্ট করা হয়। দুই মাসের ব্যবধানে একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে হলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
হলের আবাসিক শিক্ষার্থী শাকারিয়া আলম বলেন, ‘গত আগস্ট মাসে আমাদের ব্লকের সবার কাপড় কেটে ফেলে রেখেছিল কেউ একজন। আজকেও আমরা ঘুম থেকে উঠে দেখি আমাদের জামাকাপড় কেটে ফেলা হয়েছে।’ এ ধরনের ঘটনা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্যও হুমকি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হলে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকায় আগের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা যায়নি। তাঁদের দাবি, আগস্টের ঘটনার পর প্রায় দুই মাস পেরিয়ে গেলেও ক্যামেরা স্থাপন করা হয়নি। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত কাপড়ের ক্ষতিপূরণ, হলের নিরাপত্তা জোরদার এবং তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
ঘটনার বিষয়ে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, শিক্ষার্থীরা তাঁকে কিছুক্ষণ আগে বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন এবং সেখানে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুখলেসুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে প্রভোস্ট বিস্তারিত বলতে পারবেন। প্রভোস্ট তাঁকে বিষয়টি জানালে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।