৬ নভেম্বর ২০২৬, শুক্রবার

Jalalabad Today

VOICE OF THE VALLEY

ব্রেকিং

সিলেটে উড়ালসড়ক প্রকল্পের কাজ শুরু, স্বস্তিতে নগরবাসী ● রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বগতি, স্বস্তি ফিরছে অর্থনীতিতে ● আগামী সপ্তাহে শুরু হচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন সিরিজ ● ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুরু হয়েছে সচেতনতামূলক কর্মসূচি

Uncategorized

হারিয়ে যাওয়া ইতিহাসের সাক্ষী সিলেটের উছমানপুর গায়েবি মসজিদ

বৃহত্তর সিলেটের ইতিহাস কয়েক হাজার বছরের। কিন্তু এই ইতিহাস মোটেও স্পষ্ট নয়। আলো আঁধারির ভেতর থেকে সিলেটের যে ইতিহাস উদ্ধার করা হয়েছে তাতে অনেক কিছুই বেশ অস্পষ্ট। এমনকি মুসলমান আমলের ইতিহাসের অবস্থাও একই। মুসলমান আমলে সিলেটে শিলালিপির ব্যাপক প্রচলন হলেও সংরক্ষণের অভাবে এর বেশিরভাগই হারিয়ে যায়। যেসব শিলালিপি উদ্ধার করা হয়েছে সেগুলোতে আবহাওয়াগত ক্ষয়ের প্রভাব রয়েছে। তাই উদ্ধারকৃত সকল শিলালিপির পাঠোদ্ধার করা যায়নি। আবার কিছু শিলালিপিতে এমন লিপির ব্যবহার রয়েছে যার অর্থ উদ্ধারের জন্য কেউ আর বেঁচে নেই। এমন শিলালিপির তথ্যসমূহ অনুদঘাটিতই রয়ে গিয়েছে। তাই ঐতিহাসিকরা শিলালিপি থেকে সিলেটের মুসলমান আমল সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য উদ্ধার করতে পারেননি।

যে কোনো জনপদের ইতিহাস সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা অর্জনের ক্ষেত্রে কেবল শিলালিপিই যথেষ্ট নয়। সরকারি দলিল এবং প্রাচীন ইতিহাস গ্রন্থেরও প্রয়োজন হয়। সিলেটের ইতিহাসের উৎস হিসেবে এই দুই উপাদানও বেশ বিরল। 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থের অল্প কিছু তথ্য আর মির্জা নাথানের 'বাহারিস্থানে গায়েবি' গ্রন্থের কিছু বিবরণ ছাড়া সিলেটের মুসলমান আমল সম্পর্কে আর কোন নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না বললেই চলে। বার বার রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের পরিবর্তনও এর জন্য দায়ী। মুসলমান আমলের সূচনার অল্পদিনের মধ্যেই সিলেট বাংলা সালতানাতের অধীনস্থ হয়েছিল। কিন্তু আজ থেকে পাঁচ শতক আগে এই সালতানাতের বিলুপ্তির সাথে সাথে এর যাবতীয় সরকারি ফরমান, চিঠিপত্র, লিপি ও অন্যান্য দলিলপত্রেরও বিলুপ্তি ঘটেছিল; কেবল কিছু মুদ্রা, শিলালিপি ও অল্প কিছু সাহিত্যিক উপাদান বেঁচে গিয়েছিল।

তাই বাংলা সালতানাতের অধীনস্থ সিলেটের দুই শতকের (১৩৩৮-১৫৩৮ সাল) ইতিহাস সম্পর্কে জানার কোন সরকারি সূত্র নেই। এমনকি তৎকালীন সিলেটের শাসনকর্তাদের নামের কোন সঠিক তালিকাও নেই। সিলেটের এই দুই শতকের ইতিহাস পুরোপুরি অন্ধকারাচ্ছন্ন। এর পরবর্তীতে সিলেট চলে যায় স্বাধীন শাসনকর্তাদের অধীনে। এই যুগকে বারোভুঁইয়াদের যুগ বলা হয়। সিলেটের এই যুগের ইতিহাসও বেশ অস্পষ্ট। জনশ্রুতি ছাড়া এই যুগের ইতিহাসের আর কোন উপাদান নেই বললেই চলে। ১৬১২ সালে সিলেটে বারোভুঁইয়া যুগের অবসান হয় এবং মোগল শাসনের সূচনা হয়। মোগল আমলের সিলেটের দেওয়ান ও ফৌজদারদের মোটামুটি তালিকা পাওয়া গেলেও তাদের শাসনামলসমূহের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস পাওয়া যায়নি। কারণ একই। ১৭১৭ সালে সিলেটের রাষ্ট্রীয় পরিচয়ে আবারও পরিবর্তন আসে। ওই বছর মোগল সাম্রাজ্য থেকে বাংলা অঞ্চল আলাদা হয়ে যায় এবং সিলেট অঞ্চল বাংলার স্বাধীন নবাবের অধীনে চলে যায়। সিলেটের মোগল আমলের সরকারি তথ্যসমূহের একটি বড় অংশই ছিল দিল্লির মহাফেজখানায়। সিলেট তথা বাংলায় মোগল শাসনের অবসান হওয়ায় এসব তথ্য হারিয়ে যায়।

সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসে ১৭৫৭ সালে। ওই বছর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে বাংলার নবাবের পরাজয় ঘটে। ব্রিটিশরা ১৭৬৫ সালে বাংলার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা বা দেওয়ানী লাভ করে। নবাবী আমল বা মোগল আমলের রাজস্ব সংক্রান্ত তথ্য ছাড়া অন্যান্য ঐতিহাসিক তথ্য সংরক্ষণের কোন দায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ছিল না। তাই ব্রিটিশ আমলে মুসলমান আমলের ঐতিহাসিক তথ্যসমূহ আরও অন্ধকারে চলে যায়। তখন সিলেটের মুসলমান আমলের ইতিহাস প্রায় পুরোপুরিভাবেই বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। এমনকি গণমানুষের স্মৃতিনির্ভর ইতিহাস বা জনশ্রুতিও বিলুপ্তি লাভ করেছিল। জনশ্রুতি হারিয়ে যাওয়ার পেছনে মহামারী, দূর্ভিক্ষ এবং গণহারে দেশান্তরি হওয়ার ঘটনাও দায়ী ছিল। 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' নামক এক কুখ্যাত দূর্ভিক্ষে সিলেটের অনেক গ্রামীণ এলাকা প্রায় খালি হয়ে গিয়েছিল। এই দূর্ভিক্ষের আগে-পরে সিলেটের বহু মানুষ ব্রিটিশ শোষণের হাত থেকে বাঁচার জন্য নিজ বসতভূমি ছেড়ে স্বাধীন জৈন্তিয়া ও কাছাড়ি রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছিল। এসব কারণে সিলেটের অনেক গ্রামীণ এলাকা জনশূন্য হয়ে রীতিমতো জঙ্গলে পরিণত হয়েছিল। যখন এসব এলাকায় আবারও জনবসতির বিস্তার ঘটে তখন স্থানীয় ইতিহাসের বিন্দু-বিসর্গও আর অবশিষ্ট ছিল না। কেউ তা নিয়ে মাথাও ঘামাতো না। ব্রিটিশদের রাজস্বের বোঝা মাথায় নিয়ে কোনমতে বেঁচে থাকাটাই তখন অনেক বড় ব্যাপার হয়ে উঠেছিল।

সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে তখন মুসলমান আমলের সাক্ষী হিসেবে বেশ কিছু রাজকীয় স্থাপনা দাঁড়িয়ে ছিল। অনেকক্ষেত্রেই এমন হয়েছে যে, স্থানীয় জনশূন্যতার কাল শেষ হওয়ার পরে জঙ্গল কেটে কিংবা মাটি খুঁড়ে মানুষ এসব রাজকীয় স্থাপনা উদ্ধার করেছে। নির্মাতা, নির্মাণকাল এবং নির্মাণের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বিন্দুমাত্রও ধারণা না থাকায় মানুষ এসব স্থাপনাকে 'গায়েবি' আখ্যা দিয়েই নিজেদের কৌতুহল নিবৃত্ত করেছে। এমনকি পুকুর বা দীঘির ক্ষেত্রেও মানুষ এই 'গায়েবি' শব্দটি ব্যবহার করেছে। সিলেট অঞ্চলে আজও এসব স্থাপনা বা জলাশয় 'গায়েবি' নামেই পরিচিত। এই কথাটা অমূলক নয়। জনশূন্যতার কারণে গায়েবি স্থাপনা বা জলাশয়সমূহ দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে ছিল এবং ক্রমশ জঙ্গলাকীর্ণ হয়ে উঠেছিল। স্থাপনাসমূহে আবর্জনা ও মাটির স্তরও পড়ে গিয়েছিল। আক্ষরিক অর্থেই মানুষ জঙ্গল কেটে কিংবা মাটি সরিয়ে এগুলোকে বের করে এনেছিল। প্রকাশিত হওয়ার পরে এগুলোর কিছুটা উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু গায়েবি পরিচয়টি আর কখনোই মুছে যায়নি।

সিলেটের এমন গায়েবি স্থাপনার মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হচ্ছে ওসমানীনগর উপজেলার উছমানপুর গ্রামে অবস্থিত গায়েবি মসজিদ। এই মসজিদটি দেখতে এতোটাই রাজকীয় যে, কোন নবাব-সুলতান বা দেওয়ান-ফৌজদার ছাড়া অন্য কারও দ্বারা এটি নির্মাণের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। মসজিদটি এক গম্বুজবিশিষ্ট। গম্বুজটির আকৃতি বিশাল। এটি মসজিদের পুরো ছাদ হিসেবে ছড়িয়ে আছে। গম্বুজের চূড়া ভূমি থেকে বেশ উঁচুতে। এতো বড় ও উঁচু গম্বুজ নির্মাণের মূল কারণ বোধহয় এটিই যে, মসজিদের নির্মাতা ভেতর কোন আর্চ বা খিলান নির্মাণে ইচ্ছুক ছিলেন না। ভেতরে একটি খিলান থাকলে ছাদের উপর দুটি এবং দুটি খিলান থাকলে ছাদে তিনটি গম্বুজ বসানো যেতো। খিলান বাদ দেওয়ায় একটি বড় গম্বুজ বানিয়েই মসজিদটির ছাদ পূর্ণ করতে হয়েছে। মসজিদের চার কোণায় নির্মিত চারটি মিনার এর সৌন্দর্য্য অনেকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

মসজিদের ভেতরের কারুকাজ অসাধারণ। যদিও সাম্প্রতিক সংস্কারকাজের ফলে আগের আমলের কারুকাজের অনেকটাই হারিয়ে গিয়েছে তবুও যতটুকু অবশিষ্ট আছে তা থেকে নির্মাতার উন্নত রুচি ও শৈল্পিক মনের পরিচয় স্পষ্টভাবেই ফুটে ওঠে। ভেতরের দেয়ালের পাশাপাশি বাইরের দেয়ালেও কিছু কারুকাজ রয়েছে যা মসজিদটির বাইরের চেহারাকে অনেক আকর্ষণীয় করে তোলেছে। দেয়ালটির পুরুত্ব রীতিমতো বিস্ময়কর। দেয়ালের প্রবেশদ্বার ও আলোকদ্বারসমূহ থেকে এর পুরুত্বের আন্দাজ পাওয়া যায়। পূর্বপাশের প্রবেশদ্বার বা দেয়ালের ভেতরে দাঁড়িয়ে একজন লোকের পক্ষে অবলীলায় নামাজ আদায় করা সম্ভব। উত্তর ও দক্ষিণ পাশের দেয়ালও অনুরূপ পুরু। এই দেয়াল বানাতে যে পরিমাণ ইট লেগেছে তা দিয়ে বর্তমানে অনেকগুলো মসজিদ নির্মাণ করা সম্ভব।

মসজিদটির কোন শিলালিপি উদ্ধার না হওয়ায় এটি কবে নির্মিত হয়েছে তা কারও পক্ষেই বলা সম্ভব নয়। তবে কাছাকাছি কিছু সূত্র থেকে এর নির্মাণকাল সম্পর্কে কিছুটা আন্দাজ মিলতে পারে। এই মসজিদের সাত-আট কিলোমিটার দূরে একটি শিলালিপি পাওয়া গিয়েছে। ওসমানীনগর উপজেলার বুরুঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম তিলাপাড়া মসজিদে সেটি পাওয়া গিয়েছে। পশ্চিম তিলাপাড়ায় সুলতানী আমলের শেষ দিকে একটি রাজকীয় মসজিদ নির্মিত হয়েছিল এবং শিলালিপিটি সেই মসজিদেরই প্রতিষ্ঠা ফলক। মসজিদটি এখন নেই। এর স্থলে নতুন মসজিদ নির্মিত হয়েছে। শিলালিপিটি এই নতুন মসজিদেই আছে। এতে উল্লিখিত সময় হচ্ছে ১৪৭৯ সাল। তখন বাংলার সুলতান ছিলেন শামসুদ্দিন ইউসুফ শাহ। তাঁর আমলে পশ্চিম তিলাপাড়ায় রাজকীয় মসজিদ নির্মাণের ঘটনা থেকে আন্দাজ করা যায় যে, নিকটবর্তী উছমানপুর গ্রামের গায়েবি মসজিদটিও সুলতানী আমলেই নির্মিত হয়েছিল।

যেহেতু সিলেটের মুসলমান আমলের ইতিহাস প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে সেহেতু সেই ইতিহাস থেকে এই মসজিদের বৃত্তান্ত জানার কোন সুযোগই নেই। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা, পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন নিদর্শন থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং সার্বিক বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই মসজিদের অনেক মূল্যবান তথ্য উদ্ধারের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এর আগেই মসজিদটির বর্তমান অবস্থার পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। স্থানীয় গ্রামবাসীর একটি বড় মসজিদ প্রয়োজন। তারা একটি আধুনিক বড় মসজিদ নির্মাণ করতে চান। প্রাচীন মসজিদটিকে মাঝখানে রেখে তিন পাশ দিয়ে এই নতুন মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর ফলে প্রাচীন মসজিদটি তিন দিক থেকে (পূর্ব, উত্তর ও দক্ষিণ) নতুন মসজিদের আড়ালে পড়ে যাওয়ার আশংকা তৈরী হয়েছে। এভাবে নতুন মসজিদের সাথে প্রাচীন মসজিদকে যুক্ত করতে গেলে কিছু প্রাচীন নমুনা বিনষ্ট হতে পারে। এমনকি নির্মাণকাজের কম্পনজনিত কারণে প্রাচীন মসজিদের মূল কাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্থানীয়দের একটি অংশ চান, প্রাচীন মসজিদ থেকে দূরে- সম্পূর্ণ আলাদাভাবে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হোক। তাদের মতে, প্রাচীন মসজিদকে মাঝখানে রেখে নতুন মসজিদ নির্মিত হলে প্রাচীন মসজিদের স্বকীয়তা ও সৌন্দর্য্য বিনষ্ট হওয়ার আশংকা রয়েছে। এমনকি এর ভেতরের-বাইরের কাঠামোরও অনেক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। এ প্রসঙ্গে অপর পক্ষের সাথে কথা বলে জানা যায়, মসজিদের পূর্ব পাশে পর্যাপ্ত জায়গা থাকলেও এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মক্তবের জন্য নির্ধারিত। তাই তারা সেখানে মসজিদ নির্মাণ করতে অনিচ্ছুক। মসজিদের পরিচালনা কমিটির দাবি, মক্তবের জায়গা ব্যবহারের সুযোগ না থাকায় পুরানো মসজিদের পুর্ব পাশের কিছু জায়গা এবং উত্তর ও দক্ষিণ পাশের খালি জায়গা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মসজিদের দুই পাশে (উত্তর ও দক্ষিণ) নতুন কমপ্লেক্স নির্মিত হলে প্রাচীন মসজিদটি যাতে পুরোপুরিভাবে আড়ালে না পড়ে যায় সেজন্য মসজিদের উত্তর পাশের কমপ্লেক্সে কাঁচের দেয়াল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এতেও শংকা কাটছে না। মসজিদ কমিটির দাবি, কাঁচের দেয়াল নির্মিত হলে এর ভেতর দিয়ে রাস্তা (তাজপুর-বালাগঞ্জ সড়ক) থেকে প্রাচীন মসজিদটি দেখা যাবে। কিন্তু এতেও প্রাচীন মসজিদটি আড়ালে পড়ে যাওয়ার এবং এর সৌন্দর্য্যের হানি ঘটার শংকা কাটছে না। স্থানীয়রা এ নিয়ে অনেকটাই দ্বিধাবিভক্ত। সম্প্রতি সিলেট শহরের একটি নাগরিক প্রতিনিধি দল উছমানপুর গ্রাম সফর করেছেন এবং গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেছেন, নতুন মসজিদ নির্মাণের সময় এই মূল্যবান প্রত্নসম্পদটির যেনো কোন ক্ষতি না হয়। নাগরিক প্রতিনিধি দলের এই সফরে যোগ দিয়েছিলেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হারুনুজ্জামান চৌধুরী, ভাষাসৈনিক মতিন উদদীন আহমদ জাদুঘরের পরিচালক মোস্তফা শাহজামান চৌধুরী বাহার, ঐতিহ্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ ট্রাস্টের সেক্রেটারি আব্দুল করিম চৌধুরী কিম, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গোলাম সোবহান চৌধুরী দীপন, ইতিহাস গবেষক আসিফ আযহার, সিলেট, দৈনিক যুগভেরীর সাংবাদিক আব্দুর রহমান হীরা এবং আরও কয়েকজন সাংবাদিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *