৪ নভেম্বর ২০২৬, বুধবার

Jalalabad Today

VOICE OF THE VALLEY

ব্রেকিং

সিলেটে উড়ালসড়ক প্রকল্পের কাজ শুরু, স্বস্তিতে নগরবাসী ● রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বগতি, স্বস্তি ফিরছে অর্থনীতিতে ● আগামী সপ্তাহে শুরু হচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন সিরিজ ● ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুরু হয়েছে সচেতনতামূলক কর্মসূচি

আইন-শৃঙ্খলা সিলেট

হাতকড়াসহ হত্যা মামলার আসামির পলায়ন, যা বলছে পুলিশ

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে একটি হত্যা মামলার আসামি জাকির মিয়া (৪৫) পুলিশের হাত থেকে পালিয়েছেন। তবে তিনি গ্রেফতারের পর হাতকড়াসহ পালিয়েছেন নাকি পুলিশ পৌঁছানোর আগেই পালিয়েছেন, তা নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় বিএনপি নেতার পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।

সোমবার দিবাগত রাতে বানিয়াচং উপজেলা সদরের ৩ নম্বর দক্ষিণ-পূর্ব ইউনিয়নের বানেশ্বর বিশ্বাসের পাড়া মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। জাকির মিয়া ওই মহল্লার মৃত রহমান মিয়ার ছেলে।

বানিয়াচং ৩ নম্বর দক্ষিণ-পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মো. ছামির আলীর দাবি, পুলিশ অভিযান চালিয়ে জাকিরকে গ্রেপ্তার করে হাতকড়া পরায়। একপর্যায়ে জাকির পুলিশের হাত থেকে হাতকড়াসহ পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি জানতে পেরে ছামির আলী নিজ উদ্যোগে হাতকড়াটি উদ্ধার করে বানিয়াচং থানার ওসি শেখ নাজমুল হকসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যের কাছে হস্তান্তর করেন।

তবে এই দাবি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক। তিনি বলেন, “এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং হাতকড়াসহ কোনো আসামি পালায়নি। জাকিরকে ধরতে গেলে সে কেবল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।”

মামলার পটভূমি:

সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, হাওরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তোফাজ্জুল মিয়া (৩০) মারা যান। তোফাজ্জুল একই ইউনিয়নের ঠাকুরাইন দিঘির পূর্ব পাড় এলাকার মৃত মতিবুর রহমানের ছেলে। এ ঘটনায় বানিয়াচং থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় জাকির মিয়াকে আসামি করা হয়। ওই মামলার প্রেক্ষিতেই পুলিশ জাকিরের বাড়িতে অভিযান চালায়।

দাবি ও অভিযোগ:

বিএনপি নেতা ছামির আলীর দাবি, হত্যা মামলায় অন্যায়ভাবে জাকিরের নাম দেওয়া হয়েছে এবং তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। তবে মামলার প্রাথমিক তদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়ায় এখনও এই দাবির সত্যতা নিশ্চিত হয়নি।

অন্যদিকে, আসামি পালিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ জাকিরের স্বজনদের সঙ্গে অসদাচরণ করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে অসদাচরণের ধরন বা এ বিষয়ে পুলিশের কোনো সুনির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জাকির মিয়াকে পরবর্তীতে পুনরায় আটক করা সম্ভব হয়েছে কি না বা তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন, তাও এখনও অনিশ্চিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *