কারিগরি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের উপদেষ্টা পরিষদে সদস্যসংখ্যা কত, তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। কখনো ১৭, কখনো ৩১, আবার সর্বশেষ ১৮ জন সদস্যের তথ্য পাওয়ার দাবি করেছেন সংগঠনটির ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ইফতেখার মাহমুদ। একই সঙ্গে উপদেষ্টা পরিষদের বিরুদ্ধে ৯ লাখ টাকার অর্থবাণিজ্যের অভিযোগও উঠেছে। এসব বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইফতেখার মাহমুদ পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে পদত্যাগের পরও সংগঠনটির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দাবি কয়েকজন শিক্ষার্থীর।
এক অডিওবার্তায় শেখ ইফতেখার মাহমুদ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যসংখ্যা নিয়ে অসংগতির অভিযোগ তোলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পরিষদে কখনো ১৭ জন, আবার কখনো ৩১ জন সদস্যের কথা জানানো হচ্ছে। সর্বশেষ ১৮ জন সদস্যের তথ্য পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। উপদেষ্টাদের পরিচয় ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশের কথা বললেও তা করা হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর।
বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে চলমান আন্দোলনের মধ্যে ঢাকা-কেন্দ্রিক কমিটির আর্থিক কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইফতেখার মাহমুদ।
তবে ৯ লাখ টাকার অর্থবাণিজ্যের অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়নি। কারা এই অর্থ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত, কীভাবে লেনদেন হয়েছে কিংবা অভিযোগের পক্ষে কী প্রমাণ রয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। অডিওবার্তায় ইফতেখার মাহমুদ সরাসরি এই অর্থবাণিজ্যের অভিযোগ তুলেছেন কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পদত্যাগের পরও ইফতেখার মাহমুদের সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এদিকে অর্থবাণিজ্য ও অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে কারিগরি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কিংবা সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।