সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকার ‘তানজিম ইন্টারন্যাশনাল তাহফিজ স্কুল’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা জিল্লুর রহমানকে কয়েক ঘণ্টা আটকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গত রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে জালালাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জিল্লুর রহমানসহ আরও দুজনকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় প্রিন্সিপাল মোঃ সাঈদ হোসেনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে মামলার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সকাল পৌনে ১০টার দিকে প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব চাইলে জিল্লুর রহমানের ওপর হামলা করা হয়। সিকিউরিটি গার্ড আতিক রহমান ধারালো ছুরি দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসা তানজিমুল উম্মাহ ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল আহাদ ও মাহফুজুল হক চৌধুরীকেও মারধর এবং পরে একটি কক্ষ ও পাশের গ্যারেজে আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হামলা চলে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মোঃ সাঈদ হোসেন, হিসাবরক্ষক আহসান হাবিব, সিকিউরিটি গার্ড আতিক রহমান এবং কম্পিউটার অপারেটর মাহফুজ হাসান জায়েদকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানানো হয়েছে। তাঁদের আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সাঈদ হোসেনের স্ত্রী ও প্রতিষ্ঠানের কো-অর্ডিনেটর কাজী সুমাইয়া আক্তারের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে এবং তিনি পলাতক বলে মামলার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
জিল্লুর রহমানের ভাই তৈয়বুর রহমান বাদী হয়ে জালালাবাদ থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৪-৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠান দখলের চেষ্টার অভিযোগও করা হয়েছে।