৪ নভেম্বর ২০২৬, বুধবার

Jalalabad Today

VOICE OF THE VALLEY

ব্রেকিং

সিলেটে উড়ালসড়ক প্রকল্পের কাজ শুরু, স্বস্তিতে নগরবাসী ● রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বগতি, স্বস্তি ফিরছে অর্থনীতিতে ● আগামী সপ্তাহে শুরু হচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন সিরিজ ● ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুরু হয়েছে সচেতনতামূলক কর্মসূচি

শিক্ষা সিলেট

অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের দায় দিলেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক

সিলেট শিক্ষা বোর্ডে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দুটিই কমেছে। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ০.৯৬ শতাংশ পয়েন্ট, আর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী কমেছে ৩৯৮ জন। ফলাফলে এই নিম্নমুখী প্রবণতার পেছনে অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের বেশি সংখ্যাকে কারণ হিসেবে দেখছেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর বিলকিস ইয়াছমীন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এবার সিলেট বোর্ডে ১৯ হাজার ৭৬০ জন অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৮ হাজার ৬৫১ জন। অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের কারণেই ফল কিছুটা কমেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ফলাফলকে ২১ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বিলকিস ইয়াছমীন অবশ্য 'ধস' শব্দটি ব্যবহার করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, পরীক্ষার হলে বসলেই পাস করা যাবে, এমনটি এখন আর নয়। পরীক্ষার ফল নির্ধারণে বিভিন্ন মানদণ্ড রয়েছে।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়েছে। গত বছর অভিন্ন প্রশ্নপত্র ছিল না। তাঁর দাবি, অন্য শিক্ষা বোর্ডগুলোর তুলনায় সিলেট বোর্ডের ফল উন্নত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।

খাতা মূল্যায়ন ও ফল প্রস্তুতের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থীর ফল পরীক্ষক, নিরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকের যৌথ কাজের মাধ্যমে তৈরি হয়। এই তিন পক্ষের মূল্যায়নের ভিত্তিতেই ফলাফল প্রস্তুত করা হয়।

এ বছর সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫০.৯০ শতাংশে। গত বছর এ হার ছিল ৫১.৮৬ শতাংশ। অন্যদিকে, এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৬০২। এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৩৯৮ জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *