৪ নভেম্বর ২০২৬, বুধবার

Jalalabad Today

VOICE OF THE VALLEY

ব্রেকিং

সিলেটে উড়ালসড়ক প্রকল্পের কাজ শুরু, স্বস্তিতে নগরবাসী ● রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বগতি, স্বস্তি ফিরছে অর্থনীতিতে ● আগামী সপ্তাহে শুরু হচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন সিরিজ ● ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুরু হয়েছে সচেতনতামূলক কর্মসূচি

সিলেট স্বাস্থ্য

সিলেটে হামের তাণ্ডবে বেড সংকট

সিলেটে শিশুদের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গের সংক্রমণ তীব্র আকার ধারণ করায় বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে দেখা দিয়েছে চরম আসন সংকট। নির্ধারিত শয্যার তুলনায় দ্বিগুণ-তিনগুণ রোগী ভর্তি থাকায় মেঝেতে ও দুটি শয্যা এক করে সেবা দিতে বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসকরা। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর, ২০২৬) সকাল ৮টার পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৯ মাস বয়সী এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ মাস বয়সী দুই শিশুর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর সিলেটে হাম ও হামের উপসর্গে ১৮৫ জন শিশুর প্রাণহানি ঘটলো।

সিলেটে হামের চিকিৎসায় নির্ধারিত শহিদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে ১০০টি এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮৫টি শয্যা রয়েছে। কিন্তু রোগীর চাপে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। শহিদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে গত মঙ্গলবার ২১৪ জন ও বুধবার ১৯০ জন রোগী ভর্তি ছিলেন; বৃহস্পতিবার নতুন করে আরও ৮৮ জন শিশু ভর্তি হয়। অন্যদিকে, ওসমানী হাসপাতালের হাম ইউনিটে মঙ্গলবার ২০০ জন রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং বৃহস্পতিবার নতুন করে ভর্তি হয়েছে আরও ৪৬ জন শিশু।

অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামাল দেওয়ার বিষয়ে শহিদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মির্জা রিয়াদ হাসান জানান, দুটি শয্যা একত্র করে চারজন রোগীকে রেখেও জায়গা দেওয়া যাচ্ছে না, অনেককে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। তিনি আরও জানান, শয্যাসংখ্যা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হলেও এখনও কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। এদিকে সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মাহবুবুল আলম জানান, ওসমানীতে ৮৫ শয্যার বিপরীতে দ্বিগুণ-আড়াইগুণ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে ভর্তির চার দিন পর সংক্রমণের ঝুঁকি কমে আসায় আক্রান্ত শিশুদের অন্য ওয়ার্ডে স্থানান্তর করে চিকিৎসা চালানো হচ্ছে।

শহিদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও পাওয়া যায়নি। এছাড়া, হাসপাতালের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানতে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. আবু জাফর মো. খালেদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *