সিলেটের জাফলং, সাদাপাথর, বিছানাকান্দি ও রাতারগুলসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বালু-পাথর উত্তোলন, পাহাড় কাটা, প্লাস্টিক বর্জ্য ও অপরিকল্পিত কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগের কথা উঠে এসেছে। পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাশমির রেজা বলেন, সিলেটের পর্যটন প্রকৃতিনির্ভর হওয়ায় প্রকৃতি রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ)ভুক্ত জাফলংয়ে বালু-পাথর উত্তোলন, দখল ও অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে। সাদাপাথরে বালু-পাথর উত্তোলনের কারণে প্রাকৃতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিছানাকান্দিতে পাথর উত্তোলন ও যোগাযোগব্যবস্থার সমস্যার কথা বলা হয়েছে। রাতারগুলে নৌযানের সংখ্যা বৃদ্ধি, বর্জ্য ফেলা ও শব্দদূষণের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
সিলেটের পর্যটনে লালাখাল, পান্তুমাই, চা-বাগান, খাদিমনগর উদ্যান, হাকালুকি হাওর এবং ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্বল যোগাযোগব্যবস্থা, সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের অবস্থা, ট্রেনের টিকিট সংকট ও আকাশপথের ভাড়ার বিষয়গুলো পর্যটন বিকাশের বাধা হিসেবে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, পর্যটন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে জেলা প্রশাসন কাজ করছে। তিনি জানান, জৈন্তাপুরে একটি পর্যটন সম্ভাবনাময় স্থান চিহ্নিত হওয়ার পর সেখানে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিলেট থেকে তামাবিল পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।