একদিকে ব্যাংক খাত ও শিল্প উৎপাদনে দুর্বলতা থাকলেও অর্থনীতির কিছু সূচকে স্বস্তির খবর মিলেছে। চলতি বছরের ৩০ জুলাই নাগাদ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ৈ৬০ বিলিয়ন ডলারে, যা এক বছর আগে ছিল ২৪.৮৬ বিলিয়ন ডলার।
প্রবাসী আয় বেড়ে ৩৫.৫৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোই এই উন্নতির প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। টাকার বিনিময় হারও তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে, গত এক বছরে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে মাত্র ০.৫৯ শতাংশ, যা দক্ষিण এশিয়ার মধ্যে অন্যতম স্থিতিশীল মুদ্রার রেকর্ড।
তবে আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেটিং সংস্থা এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল ও ফিচ সম্প্রতি বাংলাদেশের সার্বভৌম ঋণমান নিয়ে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছে, যা আগামী দিনগুলোতে বিনিয়োগ পরিবেশের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।