সিলেটে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিলের প্রস্তুতিকালে আটক ৩০ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ৫ম আমলী আদালতে তাদের হাজির করা হলে বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এই ঘটনায় আটক ৩০ জনসহ মোট ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫-৩০ জনকে আসামি করে মোগলাবাজার থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ ও এজাহার অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিদের সিংহভাগই সিলেট নগরীর তেররতন এলাকার বিভিন্ন কলোনির বাসিন্দা এবং তাদের বড় একটি অংশ বয়সে কিশোর। মামলায় নামোল্লেখ করা আটক আসামিরা হলেন—সাজু আহমদ (২১), জীবন মিয়া (২১), মাহবুবুর রহমান রনি (২০), তাজু ইসলাম নাহিদ (১৯), মো. রাসেল (১৬), সাকিব আল হাসান (১৬), শেখ রাব্বি (১৬), সুমন আহমদ (১৯), মামুন মিয়া (১৯), সায়েম আহমদ (১৯), ফয়জুল খন্দকার, শেখ রবিন (২০), হাসান রেজভী শেখ (২০), মাহি (২১), মো. রাকিন (১৫), শাওন আহমদ (১৫), আরিফ আহমদ আফজল (১৭), জাহিদ আহমদ (১৬), জানু মিয়া (১৫), মো. রবিউল হাসান শাফি (১৫), হৃদয় আহমদ (২২), আবদুল্লাহ আল রাহিম (১৭), আকাশ (২১), সুমন আহমদ (২০), মো. রফিকুল ইসলাম (৩৫), মাজিদ আহমদ (১৭), মো. নাহিদুল ইসলাম (১৫), জিয়া উদ্দিন (৩৪) ও গাজী মিয়া (২০)। এছাড়া শাহপরাণ থানার শিবগঞ্জ হাতিমবাগের বাসিন্দা আবদুল হামিদ (২৩) নামের এক যুবককে মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে দেখানো হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়াটায় মোগলাবাজার থানাধীন শ্রীরামপুর বাইপাস এলাকায় ৪টি হাইয়েস গাড়ি ও ৩টি মোটরসাইকেল নিয়ে বেশ কয়েকজন কর্মী মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২টি হাইয়েস গাড়িসহ ৩০ জনকে আটক করে। তবে অভিযানের সময় বাকি ২টি হাইয়েস গাড়ি ও মোটরসাইকেলে থাকা অন্যান্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
আদালতে জামিন আবেদন খারিজ হওয়ার পর আদালত আটক আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিকে মামলায় এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি আবদুল হামিদসহ অজ্ঞাতনামা ২৫-৩০ জন পলাতকদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।