এই বছর হজযাত্রী পরিবহনে দায়িত্ব পালন করেছে তিনটি এয়ারলাইন্স—বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি এয়ারলাইন্স ও ফ্লাইনাস। প্রথম ফ্লাইট ঢাকা ছেড়ে যায় গত ১৮ এপ্রিল, এরপর ধাপে ধাপে হাজার হাজার হজযাত্রীকে সৌদি আরবে পৌঁছে দেওয়া হয়।
হজ এজেন্সিগুলোকে ফ্লাইটের বিভিন্ন ধাপে টিকেট বণ্টনের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়েছে, যেখানে মধ্যবর্তী ধাপে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ এবং শুরু ও শেষ ধাপে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। এর ফলে হজযাত্রীদের যাতাযাত ব্যবস্থাপনা তুলনামূলক সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
প্রতি বছরের মতো এবারও হজযাত্রীদের সুষ্ঠু যাতাযাত নিশ্চিতে বিমানবন্দরে বিশেষ হজ ডেস্ক চালু রাখা হয়েছিল।