দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে মার্চ মাস নাগাদ প্রায় ৫ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩২ শতাংশেরও বেশি। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষে ব্যাংক খাতের মূলধন-ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ অনুপাত রৈণাত্মক হয়ে ২.৬ শতাংশে নেমে গেছে।
বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি মে মাসে ৪.৯৮ শতাংশে নেমে এসেছে, এক বছর আগে যা ছিল ৭.১৭ শতাংশ। একই সময়ে বৃহৎ শিল্প উৎপাদন ১.৪২ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। উল্টো দিকে, সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বেড়ে ২০.৭৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৯.৫ শতাংশে নামালেও বিশ্লেষকরা বলছেন, কেবল সুদহার সমন্বয় করে গ্যাস-বিদ্যুতের মতো অবকাঠামোগত সংকট সমাধান করা সম্ভব নয়।