সিলেটের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘স্কলার্সহোম’-এর বিরুদ্ধে প্রচলিত শ্রম আইন না মানার অভিযোগ তুলেছেন 'স্কলার্সহোম' এর শিক্ষক রিয়াজ উদ্দিন। নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, স্কলার্সহোমের বিরুদ্ধে তাঁর দায়ের করা একটি মামলার পর্যবেক্ষণে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রচলিত শ্রম আইন অনুসরণ না করার বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে এ বিষয়ে আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি বা লিখিত পর্যবেক্ষণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
প্রকাশিত পোস্ট অনুযায়ী লেখক জানান, মামলার প্রাথমিক চার মাস তাঁর পরিবারের কেউ বিষয়টি জানতেন না। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের সাহায্যের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তিনি নিজ উদ্যোগে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান।
প্রশাসনিক নোটিশ ও নির্বাচনের অভিযোগ
লেখকের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার প্রেক্ষাপটে তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গেলে তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) সরওয়ার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) মাসুদ রানা স্কলার্সহোমকে শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের যে অভিযোগ তিনি তুলেছিলেন, সেটির প্রেক্ষিতে তৎকালীন রিটার্নিং কর্মকর্তা স্কলার্সহোমের শিক্ষকদের জাতীয় নির্বাচনের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করেন বলেও পোস্টে দাবি করা হয়। তবে কোন নির্বাচনের সময় এই ঘটনা ঘটেছিল, তা পোস্টে নির্দিষ্ট করা হয়নি।
কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বক্তব্য
পোস্টে স্কলার্সহোম কর্তৃপক্ষ এবং হাফিজ আহমেদ মজুমদারের বিরুদ্ধে 'জুলুমের' অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া, রিয়াজ উদ্দিন দাবি করেন যে তাঁর প্রতি হওয়া অবিচারের বিষয়ে শিক্ষার্থীরা আবেদন নিয়ে গেলে প্রিন্সিপাল তাঁদের সামনে লেখককে ‘জঙ্গি’ বলে আখ্যা দেন। তবে পোস্টটিতে লেখক উল্লেখ করেন, তিনি চাইলে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করতে পারতেন, কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ (Code of Conduct) মেনে চলার প্রতিশ্রুতি থাকায় তা করেননি। একই সাথে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশ যাতে নষ্ট না হয়, সে জন্য তিনি ধৈর্য ধরে আইনি প্রক্রিয়ায় গেছেন বলেও জানান।