বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি আর তুলনামূলক স্থিতিশীল টাকার বিনিময় হার দেখে মনে হতে পারে অর্থনীতি ভালো অবস্থানে আছে। কিন্তু পরিসংখ্যানের গভীরে গেলে দেখা যায় এক ভিন্ন চিত্র—খেলাপি ঋণ মোট ঋণের ৩২ শতাংশ ছাড়িয়েছে, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমছে, শিল্প উৎপাদন সংকুচিত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দেয়, উপরিতলের কিছু ইতিবাচক সূচক দিয়ে সামগ্রিক অর্থনীতির স্বাস্থ্য বিচার করা বিপজ্জনক হতে পারে। ব্যাংক খাতের সুশাসন, রাজস্ব আদায় ব্যবস্থার সংস্কার এবং বেসরকারি বিনিযোগে আস্থা ফেরানো—এই তিনটি ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি ছাড়া প্রকৃত স্থিতিশীলতা আসবে না।
শুধু সুদহার সমন্বয় করে সমস্যার সমাধান হবে না, প্রযোজন গ্যাস-বিদ্যুতের মতো অবকাঠামোগত সংকট থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার পর্যন্ত সামগ্রিক পদক্ষেপ। অন্যথায় উপরিতলের স্থিতিশীলতা যেকোনো সময় ভেতরের ঢ়ুঁকির কাছে হার মানতে পারে।